### **রাষ্ট্রপতির নির্দেশ: সেনাবাহিনীকে সামরিক শাসন জারির আদেশ**
**ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫:** দেশের চলমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তা সংকটের প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীকে সামরিক শাসন জারির নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। আজ এক জরুরি ঘোষণায় তিনি বলেন, **"আমি সেনাপ্রধানকে নির্দেশ দিচ্ছি, এখনই সামরিক শাসন জারি করুন। আদেশ লঙ্ঘন করলে কি হতে পারে, নিশ্চয়ই জানেন।"**
#### **পরিস্থিতির পটভূমি**
সাম্প্রতিক সময়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে।
রাষ্ট্রপতির ঘোষণার পরপরই দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে সেনা মোতায়েনের খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং জনসাধারণের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
এই নিউজের ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন.....
#### **সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া**
সেনাপ্রধান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে বক্তব্য দেননি। তবে সামরিক বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন বলে জানা গেছে।
#### **আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতামত**
সংবিধান অনুযায়ী, দেশে সামরিক শাসন জারির কোনো বিধান নেই। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, **"যদি রাষ্ট্রপতি সামরিক শাসন জারি করেন, তবে এটি দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করবে।"**
#### **রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া**
বিরোধী দলগুলো রাষ্ট্রপতির ঘোষণাকে "অবৈধ ও সংবিধানবিরোধী" বলে আখ্যায়িত করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকেও প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে।
#### **পরবর্তী পদক্ষেপ**
সেনাবাহিনী কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা নির্ভর করছে সেনাপ্রধানের প্রতিক্রিয়ার ওপর। সামরিক শাসন কার্যকর হলে গণমাধ্যম, রাজনৈতিক কার্যক্রম ও নাগরিক স্বাধীনতার ওপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আসতে পারে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দেশজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক বিবৃতির জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
